স্বৈরাচার পতন দিবসে নগর ও জেলা বিএনপির পৃথক আলোচনা সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি : স্বৈরাচার এরশাদের পতন ও গণতন্ত্র মুক্তি দিবস উপলক্ষে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি আলাদা আলোচনা সভা করেছে। বুধবার সকালে জেলা শাখা এবং বিকেলে নগর শাখা দলীয় কার্যালয়ে এ সভা করে।
নগর শাখা আয়োজিত সভায় মহানগর সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, গণতন্ত্র আজো মুক্ত হয়নি। পতিত স্বৈরাচার এরশাদ ও নব্য বাকশালী শেখ হাসিনা সম্মিলিতভাবে দেশকে-গণতন্ত্রকে খাদের কিনারে নিয়ে গেছে। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আর একটি ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে মুক্ত এবং জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার দায় এরশাদের। গণতন্ত্রকে হত্যার দায়ও তার। স্বৈরাচারী শাসক তার ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে শহীদ ডাঃ মিলন, নূর হোসেন, জেহাদ, রাউফুন বসুনিয়া, মহারাজ, দিপালী রাণী সাহাসহ অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মীকে হত্যা করেছে। এসব অপরাধের যথাযথ বিচার করা সম্ভব হলে আজ এরশাদ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ক্রীড়ানক হিসেবে ভূমিকা পালন করতে পারতো না।
আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন কেসিসির মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, মীর কায়সেদ আলী, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শফিকুল আলম তুহিন, আজিজুল হাসান দুলু, মুজিবর রহমান, শরিফুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।
আলোচনা শেষে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মহানগর ওলামা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আব্দুল গফফার। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শেখ খায়রুজ্জামান খোকা, সিরাজুল ইসলাম, অ্যাড. বজলুর রহমান, অ্যাড. এস আর ফারুক, রেহানা আক্তার, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, জাহিদুর রহমান, শেখ আমজাদ হোসেন, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, মহিবুজ্জামান কচি, শাহিনুল ইসলাম পাখী, আজিজা খানম এলিজা, ইকবাল হোসেন খোকন, জালু মিয়া, এহতেশামুল হক শাওন, অ্যাড. গোলাম মাওলা, শেখ সাদী, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, মাসুদ পারভেজ বাবু, একরামুল হক হেলাল, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাসান, হেলাল আহমেদ সুমন, শেখ ইমাম হোসেন, হাসান মেহেদী রিজভী, শেখ জামিরুল ইসলাম, বেলায়েত হোসেন, এইচ এম এ সালেক, আফসারউদ্দিন মাস্টার, হাবিব বিশ্বাস, শরিফুল আনাম, মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, অ্যাড. মোহাম্মদ আলী বাবু, তরিকুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম রবি, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, এইচ এম আসলাম, ওয়াহিদুর রহমান দীপু, ফারুক হিল্টন, বাচ্চু মীর, আব্দুর রহমান, শেখ আব্দুল জব্বার, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, আব্দুল আলিম, কাজী শাহনেওয়াজ নীরু, তৌহিদুর রহমান খোকন, রবিউল ইসলাম রুবেল, লিটন খান, হেদায়েত হোসেন হেদু, জাহাঙ্গীর হোসেন, জাকারিয়া লিটন প্রমুখ।
অপরদিকে, জেলা বিএনপির আলোচনা সভা খান জুলফিকার আলী জুলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন খান আলী মুনসুর, শেখ আব্দুর রশিদ, আবু হোসেন বাবু, আশরাফুল আলম নান্নু, মুর্শিদুর রহমান লিটন, খায়রুল ইসলাম খান জনি, ডাঃ আব্দুল মজিদ, আব্দুর রকিব মল্লিক, মোল্লা সাইফুর রহমান, খন্দকার ফারুক হোসেন, শাহাদাত হোসেন ডাবলু, তৈয়েবুর রহমান, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, মোল্লা কবির হোসেন, গোলঅম মোস্তফা তুহিন, খান ইসমাইল হোসেন, ইলিয়াস মল্লিক, মাওলানা নজরুল ইসলাম, মোল্লা জালাল হোসেন, রবিউল হোসেন, মোঃ সরোয়ার হোসেন, শরিফুল ইসলাম বকুল, হাফিজুর রহমান, মোঃ শাহাবুদ্দিন, আব্দুল মালেক, মিকাইল বিশ্বাস, ওয়াহিদুজ্জামান রানা, গাজী আব্দুল হালিম, মোঃ শফিকুল ইসলাম, জসিমউদ্দিন লাবু, সেলিম সরদার, সুলতান মাহমুদ, আরিফুর রহমান, সরদার উকিলউদ্দিন, ফরিদ আনোয়ার, সরফরাজ হিরো, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, আবুল কালাম লস্কর, বেল্লাল মোল্লা, শামসুল বারিক পান্না, রফিকুল ইসলাম বাবু, আমিরুল ইসলাম তারেক, জহুর আকুঞ্জী, সাইফুল মোড়ল, সেতারা সুলতানা, মুন্নি বেগম, প্রফেসর আইয়ুব আলী, জয়নুল আবেদীন সাগর, গোলাম কিবরিয়া আশা, কাজী ওয়াইজুইদ্দন সান্টু, আবু নাঈম বাপ্পী, আবু হানিফ, মুন্না সরদার, ফরহাদ হোসেন, আবু তাহের পাঠান, তানভিরুল আজম রুম্মান, শহিদুল ইসলাম, মনির হোসেন, নজরুল মেম্বার, জামাল ভূইয়া, সিরাজুল ইসলাম, জাকির হোসেন, রুহুল মোমেন লিটন, নেছারউদ্দিন, মোঃ লিঠন, মোঃ হালিম মিম্বার, ইসরাইল হোসেন বাবু, বেলাল হোসেন, ডাঃ আলমগীর, মোঃ নূরুজ্জামান, সোহাগ গোলদার, আনিসুর রহমান রনি, ইসমাইল, বায়েজিদ প্রমুখ।

SHARE THIS NEWS

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top