অধিকাংশ ফুটপাত অবৈধ দখলে

অধিকাংশ ফুটপাত অবৈধ দখলে

নগর পরিক্রমা : ওয়ার্ড ২০

এম সাইফুল ইসলাম
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) ২০ নম্বর ওয়ার্ডের ফুটপাত অবৈধ দখলে রয়েছে। এছাড়া নাজুক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বেহাল সড়ক, মাদকের রমরমাসহ রয়েছে নানাবিধ সমস্যা।
কেডিএ এভিনিউ থেকে লোয়ার যশোর রোড, শের-ই বাংলা রোড থেকে খানজাহান আলী রোড হয়ে শিববাড়ি কেডিএ’র মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত ২০নং ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১৩ হাজার দুইশ’ নয়।
ওয়ার্ডে বৃহৎ শেখপাড়া বাজার আর ফেরিঘাটের মত বাণিজ্যিক অঞ্চলের সাথে আবাসিক এলাকার পরিমাণও কম নয়। ওয়ার্ডে একটি হাইস্কুল, ১টি জুনিয়র হাইস্কুল, ৫টি মাদ্রাসা ও ২টি প্রাইমারি স্কুল রয়েছে। এছাড়া আহসান উল্লাহ কলেজসহ বেসরকারি বহু ব্যাংকের অবস্থান এই ওয়ার্ডে।
সরেজমিন দেখা যায়, শেখপাড়া বাজার এলাকার অধিকাংশ ফুটপাত দখলে থাকার কারণে সাধারণ পথচারিদের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। শেখপাড়া প্রধান সড়কের ফুটপাতগুলো ভাসমান হকার ও ওয়েল্ডিং ব্যবসায়ীদের দখলে। সাধারণ পথচারিদের পাশাপাশি এখান থেকে রিকশা, ইজিবাইকসহ ছোট ছোট যানবাহন থাকে ঝুঁকিতে।
পথচারি শহিদুল ইসলাম বলেন, এই সড়ক দিয়ে চলাচল করাই দায়। রিকশাগুলো ঘন্টার পর ঘন্টা সিরিয়াল দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
মোঃ রোমান বলেন, ছোট এই সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদা পানিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে বিভিন্ন এলাকায়। পানি নামতে সময় লাগে। ওয়ার্ডের শেখপাড়া মেইন রোড, শহীদ আবুল সড়ক সংস্কারের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তবে এলাকার অন্যন্য রাস্তা সংস্কার করা হলেও ওয়াসার খোঁড়াখুঁড়িতে বর্তমানে বেহাল দশা।
মোঃ কবির হোসেন বলেন, ওয়ার্ডে অধিকাংশ সড়ক বেহাল। কয়েকটি সড়ক সংস্কার করা হলেও বর্তমানে ওয়াসার খোঁড়াখুঁড়ির কারণে ফের চলাচল অনুপযোগী হয়েছে। আগে ওয়ার্ডে মাদকে সয়লাব থাকলেও বর্তমাকে অনেকটা সহনশীল পর্যায়ে রয়েছে।
বর্তমান কাউন্সিলর শেখ গাউসুল আজম বলেন, চার বার নির্বাচিত কাউন্সিলর হিসেবে এলাকার জনগণের সেবা করছি। এবার নির্বাচিত হতে পারলে আমার প্রতিষ্ঠা করা সিটি গার্লস স্কুলকে মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত করা ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেখপাড়া বাজারের আধুনিকীকরণ করা হবে। এছাড়া আধুনিকভাবে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা হবে। তিনি আরও বলেন, এবার নির্বাচিত হলে শেখপাড়া বাজারটি আধুনিকীকরণ ও উপরে অডিটরিয়াম করবো। এছাড়া নি¤œ মাধ্যমিক একটি বিদ্যালয় রয়েছে, যা হাই স্কুলে পরিণত করবো এবং মেয়েদের জন্য একটি টেকনিক্যাল কলেজ করবো।

SHARE THIS NEWS

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top