কায় হাসি মুখে ভোট দিয়ে শুরু দিন শেষে বিজয়ী হলেন খালেক

কায় হাসি মুখে ভোট দিয়ে শুরু দিন শেষে বিজয়ী হলেন খালেক

স্টাফ রিপোর্টার : সকালের হাসি মুখ দিন শেষে বিজয়ে পরিণত হলো মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের। কে জানে? খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের বিজয়ে দিন ছিল এটা। তাইতো সকালে গাড়ি ছেড়ে রিকসায় চড়ে ভিন্নতা আনলেন। সাধারণ এক রিকসাওয়ালা কেন তাকে আজ আব্দার করবে? হয়তো বিজয়ের শেষ হাসি তার ভাগ্যে ছিল।
সকাল সাড়ে ৭টা। উঠোনভরা নেতাকর্মী দাঁড়িয়ে অপেক্ষায়। বাড়ি থেকে বেরিয়ে আজ গাড়িতে উঠলেনা না মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা এক রিকশাওয়ালা তাকে পৌঁছে দেওয়ার আব্দার করলেন। অমনি রিকসাযোগে নিজের ভোট দিতে কেন্দ্রে পৌঁছান সকাল ৮টায়। নগরীর পাইওনিয়র গার্লস স্কুলে তার কেন্দ্র ছিল। সেখানে মিডিয়া কর্মীদের হুড়োহুড়ি। নিজের বুথে পৌঁছে হাসি মুখে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে যেন স্বস্তি পেলেন। এরপর শুরু নির্বাচনের কেন্দ্র পরিদর্শন। কিন্তু মিডিয়া কর্মীদের সাথে তার আগে ব্রিফিং দিতে হবে।
নির্বাচনে আপনি হেরে গেলে মেনে নেবেন কি’না এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী খালেক বলেন, ২০১৩ সালে পরাজিত হওয়ার পর সেটা মেনে নিয়েছিলাম। তখন আমার দল ক্ষমতায় ছিল। এখনও দল ক্ষমতায় আছে। তাই এই ভাবার কোন কারণ নেই। বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর কারচুপির অভিযোগে তিনি বলেন, ভোটে আওয়ামী লীগ কারচুপি করে না। মহসিনাবাদ ইউনিয়নের যখন চেয়ারম্যান ছিলাম তখন আমি নিজের ভোট দিতে পারিনি। বিএনপির সন্ত্রাসীরা আমাকে ভোট দিতে দেয়নি। তাই মিথ্যে অভিযোগ করে কোন লাভ নেই। মানুষ বুঝতে পেরেছে গত পাঁচ বছরে কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই নগরবাসী আমার ওপর আস্থা রেখে নৌকায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।
সকাল সাড়ে ৮টায় তিনি আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্র পরিদর্শনে ঢোকেন। পোলিং এজেন্ট ও নিজ দলের নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নেন। এসময় তিনি সংশয় প্রকাশ করে বলেন, নৌকায় সীল লাগিয়ে বিএনপির কর্মীরা ভোটে কারচুপির সুুযোগ নিতে পারে। এরপর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলে সাধারণ ভোটারদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একটি বুথে নিজের পোলিং এজেন্ট না থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
তালুকদার আব্দুল খালেক সবুরণনেছা বালিকা বিদ্যালয়, ফাতেমা উচ্চ বিদ্যালয়, বিকে স্কুল, ইউনাইটেড ক্লাব, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, উদয়ন খুলনা জেলা পুলিশ স্কুল, হ্যানে রেলওয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রেলওয়ে কিন্ডার গার্টেন, প্রভাতী স্কুল, এরশাদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খুলনা সরকারি কলেজ, মেট্রো পুলিশ লাইন্স স্কুল, বাস্তুহারা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরির্দশন করে খালিশপুরে প্রবেশ করেন। হাজী মহসিন কলেজ, প্লাটিনাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, তৈয়েবা কলোনী, ক্রিসেন্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নিউজপ্রিন্ট মিল কেন্দ্রে নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নেন। এরপর দৌলতপুর ও মহেশ্বরপাশার ৭টি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন রূপসা উপজেলা চেয়ারম্যান সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, ইউসুফ আলী খান, শফিকুর রহমান পলাশ, জিলেট সুজন, নজরুল ইসলাম, মোস্তফা সরোয়ারসহ আরও অনেকে।

SHARE THIS NEWS

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top