নগরী বর্ষণমুখর জলাবদ্ধতা জনদুর্ভোগ চরমে

নগরী বর্ষণমুখর জলাবদ্ধতা জনদুর্ভোগ চরমে

স্টাফ রিপোর্টার
নগরীতে গতকাল সোমবার থেমে থেমে ধারাবাহিকভাবে বৃষ্টি হয়েছে সারাদিন যা রোববার দিবাগত রাত থেকেই শুরু হয়।
গতকাল বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৫১ মিলিমিটার এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ।
বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে ফেলেন স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালত ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষদের। জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে খুলনা। জলাবদ্ধতার কারণে সড়কে পানি জমায় নগরীর অধিকাংশ সড়কে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট।
সরেজমিন দেখা যায়, নগরীর রয়্যালের মোড়, বাইতিপাড়া, তালতলা, শান্তিধাম মোড়, মডার্ন ফার্নিচার মোড়, পিকচার প্যালেস মোড়, পিটিআই মোড়, সাতরাস্তার মোড়, শামসুর রহমান রোড, নিরালা, বাগমারা, মিস্ত্রিপাড়া, ময়লাপোতা, শিববাড়ি মোড়, বড়বাজার, মির্জাপুর রোড, খানজাহান আলী রোড, খালিশপুর, দৌলতপুর, নতুনবাজার, পশ্চিম রূপসা, আহসান আহমেদ রোড, দোলখোলা, রূপসা স্ট্রান্ড রোড, সাউথ সেন্ট্রাল রোড, বাবুখান রোড, লবণচরা বান্দা বাজার, পশ্চিম রূপসা, খালিশপুর, দৌলতপুরসহ বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে গেছে।
এছাড়া নগরীর অধিকাংশ সড়কে কেসিসির ড্রেন ও ওয়াসার কাজ চলায় খোঁড়া গর্তে পানি জমে সড়কের সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে গেছে। ফলে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ইজিবাইক চালক মোঃ কাশেম বলেন, বর্ষার কারণে অধিকাংশ সড়ক ডুবে যাওয়ায় আমরা গাড়ি চালাতে পারছি না। গাড়ির মেশিন পানিতে ডুবে গেলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। রিকশাচালক মোঃ ইলিয়াস বলেন, পানি হাঁটুর ওপরে উঠে যাওয়ায় রিকশা চালানো দুষ্কর হয়ে পড়ছে। পথচারি মোঃ মনির বলেন, বৃষ্টিতে ইজিবাইক পাওয়াই যাচ্ছে না, দুই একটা রিক্সা, তারা বেশি ভাড়া হাঁকিয়ে বসে আছে।
মোঃ আসাদ বলেন, বৃষ্টিতে বাইরে যাবার উপায় নেই, মেইন রোডেই হাঁটু সমান ড্রেনের নোংরা পানি। ব্যাংক কর্মকর্তা মামুন গাজী বলেন, নগরী জুড়ে নোংরা পানি, ফলে বাইরে বের হয়ে পানিতে নামলে বিভিন্ন চর্মরোগ হবে। বেসরকারি আবহাওয়া অফিস টোনা নড়াইলের আবহাওয়াবিদ মোঃ পারভেজ আহমেদ পলাশ জানান, আজ সকাল থেকে আবহাওয়া অনেকটা ভাল থাকতে পারে এবং বেশ গরম অনুভূত হতে পারে। ইতোমধ্যে গতকাল সন্ধ্যায় নদীবন্দর সমূহের সতর্কবাতা নামিয়ে ফেলা হয়েছে।

SHARE THIS NEWS

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top