ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের এমপিওভুক্তি নিয়েই প্রশ্ন

লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ

স্টাফ রিপোর্টার
এবার খুলনা লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. গাউচ উদ্দিন শিকদারের এমপিওভুক্তি নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের সাবেক অধ্যক্ষ শেখ আব্দুস সামাদের সময় স্কুল শাখার শিক্ষক হিসেবে তার এমপিওভুক্ত হয়। কিন্তু চাকরির নির্ধারিত বয়স সীমার বাইরে প্রায় ৯ বছর ধরে শেখ আব্দুস সামাদ অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ কারণে স্বাভাবিকভাবে তার সাক্ষরিত এমপিওভুক্তির কাগজপত্র নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।
সম্প্রতি স্কুলের একজন শিক্ষিকার এমপিওভুক্তিতে আব্দুস সামাদের সাক্ষর করা কাগজপত্র ফিরিয়ে দেওয়া হলে নীতিমালার বিষয়টি সামনে চলে আসে। ফলে তড়িঘড়ি করে অধ্যক্ষের পদ থেকে আব্দুস সামাদকে সরিয়ে দেওয়া হয়। জানা যায়, আব্দুস সামাদ বেসরকারি একটি ডিগ্রি কলেজ থেকে চাকরি জীবনে অবসর নেওয়ার পর নীতিমালা না মেনেই খুলনা লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন।
এদিকে অধ্যক্ষ আব্দুস সামাদের অবর্তমানে ওই পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় স্কুল শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. গাউচ উদ্দিনকে। কিন্তু শিক্ষাগত যোগ্যতায় তিনি বিএ পাস ও তৃতীয় বিভাগ থাকায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে তাকে নিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, অধ্যক্ষের কক্ষের সামনে নেমপ্লেট ও নামের তালিকা বোর্ডে তিনি নিজেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পরিচয় দিয়ে নাম সংযোজন করেছেন।

SHARE THIS NEWS

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top